Translate

Saturday, November 7, 2015

প্রতি মাসে কাজ করে বাড়তি টাকা আয় করতে চান?


আপনি কি অনলাইন কাজ করে টাকা আয় করতে চান? আসলেই Online কাজ করে টাকা Earn করা যায়? কিন্তু কি ভাবে করব এই কাজ? কাজ করেও টাকা পাইনাই? আরও অনেক কথাই শুনা যায়, কিন্তু একবারও শুনলাম না যে আমার ভুলের কারোনে আমি আয় করতে পারিনি। আর কিছু কিছু ভুল আছে যেগুলা সে নিজেও জানেনা যে এর পরিনতি খারাপ। যাই হোক, অনলাইনে আয় করা যায় এবং তাও আবার আনলিমিটেড। সুধু মাত্র সঠিক দিক নিরদেশনার অভাবের কারনেই সবার দারা এইটা করা হয় না। আর অনলাইনে আয় করারও বহু ব্যবস্থা আছে। এক এক পথে এক এক রকম আয়। সব চাইতে ভাল হয় (Blogging) ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আয় করা। 

অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায় হচ্ছে কোন বিষয়ের উপর একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা, সেটিকে সার্চ-ইঞ্জিন অপটিমাইজ (SEO) করে গুগল সার্চ-রেজাল্টের উপরের দিকে নিয়ে আসাযাতে অনলাইনে যারা এই বিষয়ের উপর তথ্য খুঁজছে তারা সহজেই সাইটটি খুঁজে পায় এবং ভিজিট করে এবং সাইটটিতেএডসেন্স” (Advertisement) ব্যবহার করা।

এডসেন্স (Adsense) হচ্ছে গুগলের (Google) একটি বিজ্ঞাপন প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল আপনার সাইটের বিষয়ের উপর বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ করবে। সাইটের ভিজিটররা এইসব বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে গুগল আপনাকে সেই

Facebook & Twitter Income ফেসবুক থেকে আয় করার উপায়

এখন আপনি ইচ্ছে করলেই প্রতিদিন ৫০০ ডলার আয় করতে পারবেন ফেসবুকের মাধ্যমে 

এবার নিচের পদ্ধতিটি অনুসরন করুন 
এবার একটি জিমেইল একাউন্ট করুন তবে তা অবশ্যই কোন মেয়ের নামে
তারপর মেয়ের নামেই ফেসবুক একাউন্ট করুন এবং যেকোন একটি ছবি আপলোড করুন যথাসম্ভব সঠিক তথ্য দিয়ে আপনার প্রোফাইল আপডেট করুন এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ

আপনি হয়ত জেনে থাকবেন ফেসবুক আপনাকে আপনার ইমেইল থেকে কন্টাক্ট ইমপোর্ট করার সুযোগ দেয় এই কারনে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টকে কন্টাক্ট দিয়ে রিচ করতে হবে
চিন্তা করবেন না, আমি আপনাকে প্রোসেসটি সম্পর্কে বলছি এই প্রক্রিয়ার প্রথমেই আপনার দরকার হবে একটি সফটওয়্যার যার নাম ইমেইল জেনারেটর বা ইমেইল এক্সট্রাকটর সফটওয়্যারগুলো  নিচের লিঙ্ক
থেকে পেতে পারেন

Wednesday, November 4, 2015

E-Bay এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন Part 2

নিজের বাড়িতে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয়ের শতশথ পথ রয়েছে। আপনি তথ্য বিক্রি করতে পারেন, অন্যের জিনিষ -বে এর মাধ্যমে বেক্রি করতে পারেন, অন্যের ওয়েবসাইট তৈরী করে দিতে পারেন, অন্যের প্রচারের ব্যবস্থা করতে পারেন। বিক্রির জন্য আপনার নিজের কিছু তৈরী করা প্রয়োজন নেই। তথ্যকে ক্রেতার সামনে তুলে ধরবেন, তিনি অনলাইনে কিনলে আপনি কমিশন পাবেন সেই পন্যের মালিকের কাছ থেকে।

সাধারনত তিনভাবে আপনি এধরনের আয় করতে পারেন, কোন ব্যক্তি যখন কিছু কেনে (Pay per sale), কোন ব্যক্তি যখন ফরম পুরন করে (Pay per lead) এবং কোন ব্যক্তি যখন লিংকে ক্লিক করে (Pay per click). এই ৩টির মধ্যে প্রথমটিতে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাওয়া যায় এবং সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। আর শেষেরটিতে আয় কম এবং জালিয়াতি হয় বলে জনপ্রিয়তাও কম।
প্রতিটি বিক্রির জন্য কমিশনকে আরেকটু পরিবর্তিত করে মাসিক অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে অনেকের। এটা করার পেছনে কারনও রয়েছে। একজন ক্রেতা একবার কিছু কিনে পরবর্তীতে অন্য যায়গায় যোগাযোগ করেন। কাজেই তাদেরকে ধরে রাখার জন্য সময়ভিত্তিক চুক্তি করা হয়। আপনি
একজন ক্রেতা ধরে দেবেন তাদের কাছে। সেই ক্রেতার কারনে আপনার সাথে হয়ত মাসের চুক্তি হল। মাসে তিনি যাকিছু কিনবেন তারজন্য কমিশন পাবেন আপনি। কাজটি সহজ না অবশ্যই। অনেকদিন ধৈর্য্য ধরে চেষ্টা করে যেতে হয়। প্রচারনার জন্য নানারকম পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়। যারা এধরনের ব্যবসার সাথে জড়িত তারা একাজে সবধরনের পরামর্শ-সহযোগিতা দেন।
এখানে স্বাভাবিক প্রশ্ন হতে পারে, কোথায় যোগাযোগ করবেন ?
আপনি বিনামুল্যের সেবার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন। বাস্তবতা হচ্ছে, যদি বিনামুল্যের কোন সেবা থেকে ভাল ফল পাওয়া যায় খুব দ্রুতই এত বেশি মানুষ সেটা ব্যবহার শুরু করবে যে সেই ব্যবসা আর লাভজনক থাকবে না। কাজেই একে ব্যবসা হিসেবে ধরে নিয়ে কিছু অর্থ দেয়ার বিষয় চলে আসে। কাজেই সত্যিকারের পথ হচ্ছে কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্কের সদস্য হওয়া।
মার্কেটিং কিভাবে করবেন সেটা আগে দেখে নেয়া যাক। আপনি নিশ্চয়ই বিভিন্ন সময় ইমেইল এড্রেস চুরির খবর শুনেছেন। হ্যাকাররা লক্ষ লক্ষ ইমেইল এড্রেস চুরি করে কারন সেটা লাভজনক। এই ঠিকানায় তারা নানাধরনের মেইল (স্প্যাম) পাঠায়। স্প্যাম পাঠানো অবৈধ, কিন্তু যদি বৈধ মেইল পাঠানো হয় তাহলে কারো আপত্তি থাকতে পারে না। আবার ইমেইল এড্রেস চুরি করাও অবৈধ, কিন্তু বৈধভাবে যদি পাওয়া যায় তাতেও আপত্তির কারন নেই।
এই দুটি বিষয়কে একসাথে করে ইমেইল মার্কেটিং। ধরুন আপনি কোন একটি বিষয়ে নিউজলেটার দেয়ার জন্য ভিজিটরকে ফরম পুরন করতে বললেন। যিনি নিজের নাম লেখালেন তিনি সম্মতি দিচ্ছেন তারকাছে আপনি তার পছন্দের কোন বিষয়ে লেখা পাঠাবেন। সেই লেখার সাথে প্রচারের ব্যবস্থা যোগ করে দিলেন। যদি লক্ষ্য করেন দেখবেন ইন্টারনেটে যে নিউজলেটারগুলি দেয়া হয় তারসাথে বিজ্ঞাপন রয়েছে।
কাজেই আপনি যা করতে পারেন,
.          নিজের পছন্দের বিষয় ঠিক করা।
.          কোন এফিলিয়েটেড নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগ করা।
.          নিজের ওয়েবসাইট তৈরী করা এবং সেখান থেকে বিনামুল্যে নিউজলেটার, আর্টিকেল ইত্যাদি ইমেইলের মাধ্যমে দেয়ার ব্যবস্থা করা।
.          বিজ্ঞাপন তৈরী করা এবং সেগুলি প্রচার করা
.          সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে সাইটের প্রচার বাড়ানো

একে ব্যবসা হিসেবে ধরে নিয়ে কয়েক মাসের চেষ্টায় মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করার উদাহরন বহু রয়েছে।

সবশেষ কথা, কোন নেটওয়ার্কের সদস্য হবেন।
নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করা অনুচিত। Affiliate Marketing লিখে সার্চ করুন, এধরনের বহু এফিলিয়েট মার্কেটিং নেটওয়ার্কের সাইট পাওয়া যাবে। সেই নেটওয়ার্কের সবকিছু জানার চেষ্টা করুন। সত্যিকার কাজের প্রতিস্ঠান এবং ভুয়া প্রতিস্ঠান এর পার্থক্য নিশ্চয়ই বোঝা যায়। আপাতত এদুটি সাইট দেখতে পারেন;
http://www.affiliatesdirectory.com/
 
http://www.associateprograms.com/

ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য সাইট তৈরী, নিউজলেটার তৈরী, বিজ্ঞাপন তৈরী ইত্যাদি কাজের ধাপ নিয়ে আগামীতে লেখা হবে। একাজের প্রথম ধাপ যেহেতু ইমেইল এড্রেস সংগ্রহ করা এবং কাজটি সময়সাপেক্ষ, আপাতত সেদিকে দৃষ্টি দিতে পারেন। এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে এক্সেল এর মত কোন সফটঅয়্যার (ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য)
প্রশ্ন করতেই পারেন ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন।
মুল আয় যেহেতু এফিলিয়েশন থেকে কাজেই যে কোম্পানীর এফিলিয়েশন করতে চান তাদের নিয়মগুলি দেখুন। অনেকেরই শর্ত হিসেবে যথেস্ষ্ঠ ভিজিটরসমৃদ্ধ নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন। এখনো না থাকলে ওয়েবসাইট/ব্লগ তৈরী করুন, ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টা করুন। এফিলিয়েশন নিন। এফিলিয়েশন কোড সহ প্রচারের ব্যবস্থা করুন।
গাছ লাগিয়ে সাথেসাথে ফল পাওয়ার আশা করবেন না। অন্যান্য সাইট দেখে শিক্ষা নিন।